শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চান্দিনার আহবায়ক কমিটি গঠন বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় দুই নারী গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের চান্দিনায় তিন ফসলি জমি ও পুকুর ধ্বংসের মহোৎসব; সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনপ্রতিনিধি-বিএনপি নেতা চান্দিনা ও বুড়িচং কৃষকলীগ যুবলীগ নেতাসহ দুই উপজেলায় গ্রেফতার ১২ জনদুর্ভোগ কমাতে চান্দিনা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত হলো প্রধান সড়ক হাদি হত্যা: বিচার ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ইনকিলাব মঞ্চের ব্রাহ্মণপাড়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বিএনপি নেতাদের জুয়ার আসর, ভিডিও ভাইরাল প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, ৭ ঘণ্টা বন্ধ ছিল হটলাইন চান্দিনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৬ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ চান্দিনায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে ভোগান্তি

ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে স্বল্প খরচে ঘুরে আসুন কুমিল্লার ১২ দর্শনীয় স্থানে

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিতে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে স্বল্প খরচে ভ্রমণের জন্য হতে পারে ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ কুমিল্লা জেলা। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা থাকায় অল্প সময়েই পৌঁছে যাওয়া যায় এ জেলায়। প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ধর্মীয় স্থাপনা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র মিলিয়ে কুমিল্লা এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী বাসে জনপ্রতি ভাড়া সাধারণত ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এছাড়া চট্টগ্রামমুখী অধিকাংশ আন্তঃনগর ট্রেন কুমিল্লা রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। ট্রেনের শ্রেণিভেদে ভাড়া ১৭০ থেকে ৪৬৬ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে অটোরিকশা কিংবা স্থানীয় যানবাহনে সহজেই কোটবাড়ি ও আশপাশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় যাওয়া যায়। মাত্র ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই দর্শনার্থীরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারেন।

শালবন বৌদ্ধ বিহার

কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত প্রাচীন শালবন বৌদ্ধ বিহার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। একসময় এটি ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের প্রধান ধর্মীয় ও শিক্ষাকেন্দ্র। চারদিকে শালগাছ থাকায় এর নামকরণ হয় শালবন বিহার। এখানে রয়েছে ১৫৫টি কক্ষ। খননকাজে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, ব্রোঞ্জের মূর্তি, তাম্রলিপি এবং অসংখ্য টেরাকোটা নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়নামতি জাদুঘর

সালমানপুর এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি জাদুঘরে রয়েছে ৪২টি গ্যালারি। এখানে সংরক্ষিত আছে প্রাচীন মূর্তি, মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক, মৃৎশিল্প ও দুর্লভ পান্ডুলিপি। শালবন বিহারের কাছাকাছি হওয়ায় পর্যটকরা একইসঙ্গে দুটি স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে নির্মিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি সমাধিক্ষেত্র। এখানে ৭৩৭ জন সৈনিকের কবর রয়েছে। সবুজে ঘেরা নীরব ও শান্ত পরিবেশ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

ধর্মসাগর দিঘি

কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ধর্মসাগর দিঘি স্থানীয়দের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র। বিকেলের অবসর সময় কাটাতে এখানে প্রতিদিন ভিড় করেন নানা বয়সী মানুষ। দিঘির পাড়ে হাঁটা, নৌকা ভ্রমণ ও পাশের শিশুপার্ক পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।

See also  ব্রাহ্মণপাড়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বিএনপি নেতাদের জুয়ার আসর, ভিডিও ভাইরাল

শাহ সুজা মসজিদ

গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরোনো এই মসজিদ ইতিহাসপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। এর প্রতিষ্ঠাকাল ও নামকরণ নিয়ে মতভেদ থাকলেও এটি উপমহাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর অন্যতম বলে মনে করা হয়।

নব শালবন বিহার

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে নব শালবন বিহার ‘শান্তি বিহার’ নামে পরিচিত। এখানে প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার দৃষ্টিনন্দন সোনালি বুদ্ধমূর্তি দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

ইটাখোলা মুড়া

সপ্তম বা অষ্টম শতকের প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ইটাখোলা মুড়া প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের জন্য সুপরিচিত। খননকাজে এখান থেকেও স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রা ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গেছে।

বার্ড

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য পরিচিত। সবুজে ঘেরা বিশাল এ প্রতিষ্ঠানটি পিকনিক ও অবকাশযাপনের জন্য পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

রূপবান মুড়া

লোককাহিনির রহিম-রূপবানের স্মৃতিবিজড়িত রূপবান মুড়া সূর্যাস্ত দেখার জন্য বিখ্যাত। উঁচু টিলা থেকে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন ভিড় করেন পর্যটকরা।

আনন্দ বিহার

উপমহাদেশের সর্বশেষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত আনন্দ বিহার ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। এর স্থাপত্য ও প্রাচীন নিদর্শন দর্শনার্থীদের অতীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।

রানি ময়নামতির প্রাসাদ

ধারণা করা হয়, চন্দ্র বংশের রাজা মানিক চন্দ্র তার স্ত্রী রানি ময়নামতির জন্য এই প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৮৮ সালে খননকাজের মাধ্যমে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়।

ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক

কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। ওয়াটার পার্ক, থ্রিল রাইড, ডাইনোসর জোন ও পিকনিক স্পট থাকায় পরিবার ও শিশুদের জন্য এটি আকর্ষণীয় একটি স্থান।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুতি নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুমিল্লা জোনের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঈদের দিন থেকেই কয়েকটি টিম পর্যটন এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে কোটবাড়ি, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, ধর্মসাগর পাড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

See also  বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় দুই নারী গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের

কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান শাহীন আলম বলেন, জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নিয়মিত উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চান্দিনার আহবায়ক কমিটি গঠন

ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে স্বল্প খরচে ঘুরে আসুন কুমিল্লার ১২ দর্শনীয় স্থানে

২৬ মে ২০২৬, ৪:২২

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিতে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে স্বল্প খরচে ভ্রমণের জন্য হতে পারে ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ কুমিল্লা জেলা। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা থাকায় অল্প সময়েই পৌঁছে যাওয়া যায় এ জেলায়। প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ধর্মীয় স্থাপনা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র মিলিয়ে কুমিল্লা এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী বাসে জনপ্রতি ভাড়া সাধারণত ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এছাড়া চট্টগ্রামমুখী অধিকাংশ আন্তঃনগর ট্রেন কুমিল্লা রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। ট্রেনের শ্রেণিভেদে ভাড়া ১৭০ থেকে ৪৬৬ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে অটোরিকশা কিংবা স্থানীয় যানবাহনে সহজেই কোটবাড়ি ও আশপাশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় যাওয়া যায়। মাত্র ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই দর্শনার্থীরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারেন।

শালবন বৌদ্ধ বিহার

কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত প্রাচীন শালবন বৌদ্ধ বিহার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। একসময় এটি ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের প্রধান ধর্মীয় ও শিক্ষাকেন্দ্র। চারদিকে শালগাছ থাকায় এর নামকরণ হয় শালবন বিহার। এখানে রয়েছে ১৫৫টি কক্ষ। খননকাজে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, ব্রোঞ্জের মূর্তি, তাম্রলিপি এবং অসংখ্য টেরাকোটা নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়নামতি জাদুঘর

সালমানপুর এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি জাদুঘরে রয়েছে ৪২টি গ্যালারি। এখানে সংরক্ষিত আছে প্রাচীন মূর্তি, মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক, মৃৎশিল্প ও দুর্লভ পান্ডুলিপি। শালবন বিহারের কাছাকাছি হওয়ায় পর্যটকরা একইসঙ্গে দুটি স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে নির্মিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি সমাধিক্ষেত্র। এখানে ৭৩৭ জন সৈনিকের কবর রয়েছে। সবুজে ঘেরা নীরব ও শান্ত পরিবেশ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

ধর্মসাগর দিঘি

কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ধর্মসাগর দিঘি স্থানীয়দের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র। বিকেলের অবসর সময় কাটাতে এখানে প্রতিদিন ভিড় করেন নানা বয়সী মানুষ। দিঘির পাড়ে হাঁটা, নৌকা ভ্রমণ ও পাশের শিশুপার্ক পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।

See also  চান্দিনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৬ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

শাহ সুজা মসজিদ

গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরোনো এই মসজিদ ইতিহাসপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। এর প্রতিষ্ঠাকাল ও নামকরণ নিয়ে মতভেদ থাকলেও এটি উপমহাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলোর অন্যতম বলে মনে করা হয়।

নব শালবন বিহার

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে নব শালবন বিহার ‘শান্তি বিহার’ নামে পরিচিত। এখানে প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার দৃষ্টিনন্দন সোনালি বুদ্ধমূর্তি দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

ইটাখোলা মুড়া

সপ্তম বা অষ্টম শতকের প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ইটাখোলা মুড়া প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের জন্য সুপরিচিত। খননকাজে এখান থেকেও স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রা ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গেছে।

বার্ড

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য পরিচিত। সবুজে ঘেরা বিশাল এ প্রতিষ্ঠানটি পিকনিক ও অবকাশযাপনের জন্য পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

রূপবান মুড়া

লোককাহিনির রহিম-রূপবানের স্মৃতিবিজড়িত রূপবান মুড়া সূর্যাস্ত দেখার জন্য বিখ্যাত। উঁচু টিলা থেকে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন ভিড় করেন পর্যটকরা।

আনন্দ বিহার

উপমহাদেশের সর্বশেষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত আনন্দ বিহার ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। এর স্থাপত্য ও প্রাচীন নিদর্শন দর্শনার্থীদের অতীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।

রানি ময়নামতির প্রাসাদ

ধারণা করা হয়, চন্দ্র বংশের রাজা মানিক চন্দ্র তার স্ত্রী রানি ময়নামতির জন্য এই প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৮৮ সালে খননকাজের মাধ্যমে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়।

ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক

কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। ওয়াটার পার্ক, থ্রিল রাইড, ডাইনোসর জোন ও পিকনিক স্পট থাকায় পরিবার ও শিশুদের জন্য এটি আকর্ষণীয় একটি স্থান।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুতি নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুমিল্লা জোনের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঈদের দিন থেকেই কয়েকটি টিম পর্যটন এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে কোটবাড়ি, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, ধর্মসাগর পাড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

See also  হাদি হত্যা: বিচার ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ইনকিলাব মঞ্চের

কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান শাহীন আলম বলেন, জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নিয়মিত উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।