শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চান্দিনার আহবায়ক কমিটি গঠন বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় দুই নারী গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের চান্দিনায় তিন ফসলি জমি ও পুকুর ধ্বংসের মহোৎসব; সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনপ্রতিনিধি-বিএনপি নেতা চান্দিনা ও বুড়িচং কৃষকলীগ যুবলীগ নেতাসহ দুই উপজেলায় গ্রেফতার ১২ জনদুর্ভোগ কমাতে চান্দিনা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত হলো প্রধান সড়ক হাদি হত্যা: বিচার ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ইনকিলাব মঞ্চের ব্রাহ্মণপাড়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বিএনপি নেতাদের জুয়ার আসর, ভিডিও ভাইরাল প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, ৭ ঘণ্টা বন্ধ ছিল হটলাইন চান্দিনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৬ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ চান্দিনায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে ভোগান্তি

টেকনোক্র্যাট ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ভাবনা সরকারের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, দায়িত্বের ভারসাম্য নিশ্চিত করা এবং জনসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ঈদুল আজহার পর বাজেট অধিবেশন শেষ হলে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের পর এ আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের চিন্তাভাবনা চলছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে একক নেতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং কাজের চাপ কমিয়ে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এ কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ আনার পাশাপাশি দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

আলোচনায় জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ নেতারা

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সম্ভাব্য তালিকায় বিএনপির কয়েকজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান মন্ত্রিসভায় নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন।

টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন মুখের সম্ভাবনা

সরকারের টেকনোক্র্যাট কোটায়ও কয়েকজন নেতার নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং হাবিবুন নবী খান সোহেল সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন।

See also  জনদুর্ভোগ কমাতে চান্দিনা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দখলমুক্ত হলো প্রধান সড়ক

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া বর্তমান হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পাবনা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক এবং কুমিল্লার সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পদে খুলনার সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, ফরিদপুরের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং সিরাজগঞ্জের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিমের নাম আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ আলমগীর পাভেলের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

একই সঙ্গে সংসদ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খানকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যাও বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নাম ঘোষণার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো বা বর্তমান কাঠামো বহাল রাখা উভয় সিদ্ধান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। তবে উপমন্ত্রীর কোনো পদ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদে কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব পরিবর্তনের পর নতুন করে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চান্দিনার আহবায়ক কমিটি গঠন

টেকনোক্র্যাট ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ভাবনা সরকারের

১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, দায়িত্বের ভারসাম্য নিশ্চিত করা এবং জনসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ঈদুল আজহার পর বাজেট অধিবেশন শেষ হলে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের পর এ আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের চিন্তাভাবনা চলছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে একক নেতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং কাজের চাপ কমিয়ে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এ কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ আনার পাশাপাশি দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

আলোচনায় জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ নেতারা

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সম্ভাব্য তালিকায় বিএনপির কয়েকজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান মন্ত্রিসভায় নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন।

টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন মুখের সম্ভাবনা

সরকারের টেকনোক্র্যাট কোটায়ও কয়েকজন নেতার নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং হাবিবুন নবী খান সোহেল সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন।

See also  চান্দিনায় তিন ফসলি জমি ও পুকুর ধ্বংসের মহোৎসব; সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনপ্রতিনিধি-বিএনপি নেতা

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

এ ছাড়া বর্তমান হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পাবনা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক এবং কুমিল্লার সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পদে খুলনার সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, ফরিদপুরের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং সিরাজগঞ্জের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলিমের নাম আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ আলমগীর পাভেলের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

একই সঙ্গে সংসদ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খানকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যাও বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নাম ঘোষণার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো বা বর্তমান কাঠামো বহাল রাখা উভয় সিদ্ধান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। তবে উপমন্ত্রীর কোনো পদ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদে কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব পরিবর্তনের পর নতুন করে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা