বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপির দাবি: শাপলা প্রতীক পেতে আর কোনো আইনি বা রাজনৈতিক বাধা নেই

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, দলটির শাপলা প্রতীক পাওয়ার ক্ষেত্রে এখন আর কোনো আইনি কিংবা রাজনৈতিক বাধা অবশিষ্ট নেই। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার একটি ফেসবুক পোস্টের পর এনসিপি এই দাবি করে।

দুপুর আড়াইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাহমুদুর রহমান মান্না লেখেন, “শাপলা প্রতীক যদি তাদের (এনসিপি) দিয়ে দেয়, কোনো মামলা করব না।” তার এই ঘোষণার পর সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টটি শেয়ার করে জানানো হয়, “অবশেষে এনসিপির শাপলা প্রতীক পেতে আর কোনো আইনি এবং রাজনৈতিক কোনো বাধাই অবশিষ্ট রইল না।”

এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশন শুরুতে শাপলা প্রতীক বরাদ্দে আইনি বাধার কথা বললেও, দলটির আইন বিভাগ কমিশনকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে প্রমাণ করে যে, এনসিপির প্রতীক পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত জটিলতা নেই। এরপর কমিশন রাজনৈতিক বাধার কথা উল্লেখ করে জানায়, শাপলা প্রতীক আগে নাগরিক ঐক্য চেয়েছে, তাই তাদেরই দিতে হবে।

তবে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার স্পষ্ট ঘোষণা—শাপলা প্রতীক এনসিপিকে দিলে তার দল কোনো মামলা করবে না—এই রাজনৈতিক বাধাও দূর করে দিয়েছে বলে দাবি এনসিপির।

এনসিপির ফেসবুক পোস্টে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলা হয়, “আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আপনারা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন, স্বেচ্ছাচারিতা পরিহার করুন, দলীয় প্রভাব থেকে বের হয়ে জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠুন।”

এনসিপির পক্ষ থেকে এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাশা, তারা নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে শাপলা প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।

See also  শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
জনপ্রিয়

এনসিপির দাবি: শাপলা প্রতীক পেতে আর কোনো আইনি বা রাজনৈতিক বাধা নেই

২ অক্টোবর ২০২৫, ৯:৫২

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, দলটির শাপলা প্রতীক পাওয়ার ক্ষেত্রে এখন আর কোনো আইনি কিংবা রাজনৈতিক বাধা অবশিষ্ট নেই। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার একটি ফেসবুক পোস্টের পর এনসিপি এই দাবি করে।

দুপুর আড়াইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাহমুদুর রহমান মান্না লেখেন, “শাপলা প্রতীক যদি তাদের (এনসিপি) দিয়ে দেয়, কোনো মামলা করব না।” তার এই ঘোষণার পর সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টটি শেয়ার করে জানানো হয়, “অবশেষে এনসিপির শাপলা প্রতীক পেতে আর কোনো আইনি এবং রাজনৈতিক কোনো বাধাই অবশিষ্ট রইল না।”

এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশন শুরুতে শাপলা প্রতীক বরাদ্দে আইনি বাধার কথা বললেও, দলটির আইন বিভাগ কমিশনকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে প্রমাণ করে যে, এনসিপির প্রতীক পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত জটিলতা নেই। এরপর কমিশন রাজনৈতিক বাধার কথা উল্লেখ করে জানায়, শাপলা প্রতীক আগে নাগরিক ঐক্য চেয়েছে, তাই তাদেরই দিতে হবে।

তবে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার স্পষ্ট ঘোষণা—শাপলা প্রতীক এনসিপিকে দিলে তার দল কোনো মামলা করবে না—এই রাজনৈতিক বাধাও দূর করে দিয়েছে বলে দাবি এনসিপির।

এনসিপির ফেসবুক পোস্টে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলা হয়, “আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আপনারা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন, স্বেচ্ছাচারিতা পরিহার করুন, দলীয় প্রভাব থেকে বের হয়ে জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠুন।”

এনসিপির পক্ষ থেকে এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাশা, তারা নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে শাপলা প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।

See also  শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ