বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী ঐক্যের বার্তা: মহাসমাবেশে জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণ

চান্দিনা মেইল অনলাইনঃ 

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজিত মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে দল দুটির পৃথক প্রতিনিধিদল সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিমসহ আরও একজন কেন্দ্রীয় নেতা। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আকতার হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ মহাসমাবেশে যোগ দেন।

‘রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন’—এই তিন দফা দাবিকে সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ মহাসমাবেশের আয়োজন করে। সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলটির নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে থাকেন।

সকাল ১০টায় কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় মহাসমাবেশের প্রথম অধিবেশন। দুপুর ২টা থেকে মূলপর্ব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার অনেক আগেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট, সুষ্ঠু নির্বাচন, জনগণের ভোটাধিকার এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানান। জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণে মহাসমাবেশে ইসলামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর একটি সম্ভাব্য ঐক্যের বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

See also  চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী ঐক্যের বার্তা: মহাসমাবেশে জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণ

২৮ জুন ২০২৫, ৬:০০

চান্দিনা মেইল অনলাইনঃ 

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজিত মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে দল দুটির পৃথক প্রতিনিধিদল সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিমসহ আরও একজন কেন্দ্রীয় নেতা। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আকতার হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ মহাসমাবেশে যোগ দেন।

‘রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন’—এই তিন দফা দাবিকে সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ মহাসমাবেশের আয়োজন করে। সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলটির নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে থাকেন।

সকাল ১০টায় কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় মহাসমাবেশের প্রথম অধিবেশন। দুপুর ২টা থেকে মূলপর্ব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার অনেক আগেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট, সুষ্ঠু নির্বাচন, জনগণের ভোটাধিকার এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানান। জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণে মহাসমাবেশে ইসলামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর একটি সম্ভাব্য ঐক্যের বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

See also  কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪৫