
عن أنس بن مالك رضى الله يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن أمتى لا تجتمع على ضلالة فإذا رأيتم إختلافًا فعليكم بالسواد الأعظم.
অনুবাদ : আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “নিশ্চয় আমার উম্মাত বিভ্রান্তির ওপর একমত হবে না। অতএব তোমরা যদি মতভেদ দেখতে পাও, তাহলে তোমরা বৃহত্তম গোষ্ঠীর অনুসরণ করবে।’’’ [ইবন মাজাহ]
রাবীর পরিচয়
আনাস ইবনে মালিক ছিলেন বিখ্যাত সাহাবী, খাদিমে রাসূল, ইমাম, মুফতি, মুয়াল্লিমে কুরআন, মুহাদ্দিস, মাশহুর রাবী, আনসারী, খাযরাজী ও মাদানী। কুনিয়াত আবু সুমামা ও আবু হামযা। তিনি বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মালিক ইবন নাদর এবং মাতা উম্মু সুলাইম সাহলা বিনতু মিলহান আল—আনসারিয়্যা। তিনি সম্পর্কে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খালা ছিলেন। তাঁর মাতা ইসলাম গ্রহণ করেন কিন্তু পিতা ইসলাম গ্রহণ করেননি। মা আবু তালহাকে পুনরায় বিয়ে করলে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সেখানে লালিত—পালিত হন। তিনি ১০ বছর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খাদেম ছিলেন। বয়স কম থাকায় বদর ও উহুদ যুদ্ধ ছাড়া অন্যান্য যুদ্ধে নবীজির সাথে অংশগ্রহণ করেন। ৯৩ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন তিনি। এই সম্মানিত সাহাবী রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে ২২৮৬টি হাদীস বর্ণনা করেন।
হাদীসের মান
মুফতি আমিমুল ইহসান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। অধিকাংশ মুহাদ্দিসের নিকট এটির মান যয়ীফ বা দুর্বল।
হাদীসের ব্যাখ্যা
নির্বচিত হাদীসে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম لا تجتمع أمتى على ضلالة দ্বারা তাঁর উম্মাহ বা জাতিকে ভ্রষ্টতা নয় বরং হিদায়াতের ওপর ঐকমত্য পোষণের আহবান জানিয়েছেন। এ হাদীস দ্বারা বোঝা যায়- রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ঐকমত্যের ব্যাপারে সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছেন। সমাজ থেকে ভ্রষ্টতা, অনাচার, অনৈক্য, বিভেদ বিসংবাদ ও কলহ দূর করতে জাতীয় ঐকমত্যের কোনো বিকল্প নেই। নিজেরা একতাবদ্ধ ও নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য না থাকার কারণে মুসলিম সমাজ আজ দিকে দিকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হচ্ছে। রক্তাক্ত হচ্ছে বিভিন্ন মুসলিম জনপদ। এজন্য ইসলাম মুসলিমদের মধ্যে পারস্পারিক ঐকমত্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। বিভেদ, অনৈক্য, বিভাজন সৃষ্টি ও ঝগড়া—বিবাদে লিপ্ত হওয়া ঐকমত্যের অন্তরায় এবং ইসলাম বহির্ভর্ূত গর্হিত কর্ম। ইসলামের আলোকে জাতীয় ঐকমত্য ও সম্প্রীতির ভিত্তি হলো আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেছেন,
وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا وَاذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنْتُمْ أَعْدَاءً فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُمْ بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا
‘তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সম্মিলিতভাবে ধারণ করো, পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না এবং তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামত স্মরণ করো। যখন তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে, অতঃপর তিনি তোমাদের অন্তরগুলোয় প্রীতি দিয়েছেন, ফলে তোমরা তার অনুগ্রহে ভ্রাতৃরূপ লাভ করেছ।’ [সূরা আলে ইমরান : ১০৩]
মুসলিমদের জাতীয় ঐক্যমতের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিজেদের মধ্যে অনৈক্য, দ্বন্দ্ব, বিবাদ ও মতপার্থক্য। মহান আল্লাহ তা‘আলা নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য গঠনে বিবাদ ও মতভেদকে ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আপস—মীমাংসার তাগিদ দিয়ে বলেন,
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ فَأَصْلِحُوا بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
‘নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। কাজেই তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে আপস—মীমাংসা করে দাও। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আশা করা যায়- তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হবে।’ [সূরা আল হুজরাত : ১০]
জাতীয় ঐকমত্য হতে হবে তাওহীদের ভিত্তিতে। প্রত্যেকটি মুসলিম চিন্তা চেতনায় তাওহীদ তথা ইসলামের প্রথম রোকন কালিমা لا إله إلاّ الله ধারণ করবে। সর্বদা আল্লাহ ও রাসূলের অনুগত হবে এবং সকল প্রকার আদেশ ও নিষেধ মেনে চলবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুম বা আদেশের বিরুদ্ধচারণ করবে না। যে ঐকমত্যের সাথে ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপন করবে। সর্বপ্রকার বিভক্তি ও বিভাজন থেকে নিজকে দূরে রাখবে। আল্লাহর বাণী,
إِنَّ هَذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ
‘নিশ্চয় তোমাদের এ জাতি তো একই জাতি। আর আমিই তোমাদের রব। অতএব তোমরা আমার ইবাদত কর।’ [সূরা আল আম্বিয়া : ৯২]
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,
وَإِنَّ هَذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاتَّقُونِ
‘তোমাদের এসব উম্মাত তো একই উম্মাত, আর আমিই তোমাদের রব। অতএব তোমরা আমাকে ভয় কর।’ [সূরা আল মুমিনুন : ৫২]
জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপন করতে হবে। সর্বপ্রকার বিভাজন ও বিভক্তি থেকে নিজকে দূরে রাখতে হবে। তা না হলে মুসলিমগণ ভয়াবহ পরিণতির শিকার হবেন। আল্লাহ তা‘আলা সতর্ক করে বলেন,
وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَا تَنَازَعُوا فَتَفْشَلُوا وَتَذْهَبَ رِيحُكُمْ وَاصْبِرُوا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ
‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত্য কর, পরস্পরে ঝগড়া বিবাদ করো না, তা করলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে, তোমাদের শক্তি—ক্ষমতা বিলুপ্ত হবে। আর তোমরা ধৈর্য্য ধর, নিশ্চয় আল্লাহ সবরকারীদের সাথে আছেন।’ [সূরা আল আনফাল : ৪৬]
আল্লাহ আরও বলেন,
وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمْ الْبَيِّنَاتُ وَأُوْلَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
‘আর তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা বিভক্ত হয়েছে এবং মতবিরোধ করেছে তাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণ আসার পর। আর তাদের জন্যই রয়েছে কঠোর শাস্তি।’ [সূরা আলে ইমরান : ১০৫]
প্রিয় রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
يد الله على الجماعة من شذ شذ فى النار
‘সম্মিলিত ঐক্যবদ্ধ দলের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও সাহায্যের হাত আছে। আর যে ব্যক্তি বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন হবে তারা জাহান্নামে যাবে।’ [তিরমিজি]
নুমান ইবন বশীর থেকে বর্ণিত, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে দাঁড়িয়ে বলেন,
الجماعة رحمـة والفرقة عذاب
‘ঐক্যবদ্ধ জীবন হলো রহমত এবং বিচ্ছিন্নতা হলো আযাব বা শাস্তি।’ [মুসনাদু আহমাদ : ৪/২৭৮]
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
عليكم بالجماعة وإياكم والفرقـة فمن أراد بحبحة الجنـة فليلزم الجماعة
‘তোমরা জামায়াতবদ্ধভাবে বাস কর এবং বিচ্ছিন্নতা থেকে সাবধান থেকো। সুতরাং যে জান্নাতের মধ্যস্থল পেতে চায়, সে যেন জামায়াতের সাথে থাকে।’ [শায়বানী, কিতাবুস—সুন্নাহ]
জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় পারস্পারিক ঐক্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার কোন বিকল্প নেই। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এদিকে ইংগিত করে সমগ্র মুসলিম জাতিকে ‘একটি দেহ, একটি প্রাণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন,
مثل المؤمنين فى توادهم وتراحمهم وتعاطفهـم مثل الجسد الواحد إذا إشتكى منه عضو تداعى له سائر الجسد بالسّهر والحمـى. (رواه مسلم).
‘বিশ্বাসী মুমিনরা সম্প্রীতি, করুণা ও দয়ার্দ্রতায় এক দেহ এক প্রাণ। যেমন : শরীরের একটি অংগে আঘাত পেলে সারা অংগে ব্যথা অনুভব করে, যন্ত্রণায় নির্ঘুম রাত কাটায় ও জ¦রে ঘর্মাক্ত হয়।’
মুসলিমদের মধ্যে ঐকমত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও অটুট ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখা। এ বিষয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يخذ له ولا يحقره
‘এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। মুসলিম ব্যক্তি অপর মুসলিমের ওপর অবিচার করবে না, তাকে অপদস্ত করবে না এবং অবজ্ঞা করবে না।’
অপর একটি হাদীসে এসেছে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده
‘সেই প্রকৃত মুসলিম, যার জিহবা ও হাত হতে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে।’ [মুসলিম]
জাতীয় ঐকমত্য স্থায়ী ও সুদৃঢ় করতে হলে নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট মতভেদকে দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে হবে। অনৈক্য ও মতভেদকে বজায় রেখে ঐকমত্য কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। ইসলাম এটাকে সমর্থন করে না। এ বিষয়ে আল্লাহ বলেন,
وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ ذَلِكُمْ وَصَّاكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
‘আর এটাই আমার সঠিক সরল পথ, কাজেই তোমরা তার অনুসরণ কর, আর নানান পথের অনুসরণ করো না, করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। এভাবে তিনি তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন, যাতে তোমরা তাঁকে ভয় করে যাবতীয় পাপ থেকে বেঁচে চলতে পার।’ [সূরা আল—আন‘আম : ১৫৩]
প্রখ্যাত মুফাচ্ছির ইবন কাছীর ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন- এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঐকমত্যের ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। মতপার্থক্য ও দলাদলী করতে নিষেধ করেছেন।
জাতীয় ঐকমত্যের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে- সকল মুসলিম একই জাতি। আমাদের রব এক, নবী এক, কিতাব এক, আমরা একই আদি পিতা ও মাতার সন্তান। একে অপরের ভাই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
إنما المؤمنون إخوة
‘সকল মুমিন পরস্পর ভাই ভাই।’ [সূরা হুজরাত : ১০]
অতএব বোঝা গেল- ঐকমত্যের কোনো বিকল্প নেই। ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে দেশ ও জাতি সকলের জন্য কল্যাণকর ও ফলদায়ক।
فإذا رأيتم اختلافًا فعليكم بالسواد الأعظم
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- যদি ঐকমত্য না হয় এবং কোনো ব্যাপারে মতভেদ দেখা দেয়, তাহলে সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ ও বড়ো দলের সাথে অবস্থান করতে হবে। কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে অন্য হাদীসে বলেছেন,
اتبعوا السواد الأعظم فإنه من شذ شذ فى النار. (رواه ابن ماجة)
‘বৃহত্তম দলের অনুসরণ কর। কেননা যে ব্যক্তি দল থেকে আলাদা হয়ে গেছে, সে বিচ্ছিন্ন হয়ে জাহান্নামে যাবে।’
অতএব নিজেদের মধ্যে ঐকমত্যের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যদি তা—ও কোনোভাবে সম্ভব না হয়, তাহলে মতভেদের ক্ষেত্রে বৃহত্তম দলকে সমর্থন করতে হবে। কেননা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য এবং ইসলামকে বিতর্কিত করার সাথে সাথে অন্যায় ও নির্যাতনমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গেলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ সংগঠন গড়ার কোনো বিকল্প নেই।
হাদীসের শিক্ষা
১. ভ্রষ্টতা ও ইসলাম বিরোধী কোনো এজেন্ডার ভিত্তিতে ঐকমত্য হবে না।
২. ঐকমত্য হতে হবে ইসলামের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী।
৩. কুরআন—সুন্নাহ বর্জিত কোনো বিষয়ের ওপর ঐকমত্য হবে না।
৪. ঐকমত্য হতে হবে তাওহীদকে ভিত্তি করে।
৫. ঐকমত্যের ভিত্তিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
৬. ইসলামে ঐকমত্য বা ঐক্য বৈধ এবং বিচ্ছিন্নতা হারাম।
৭. ঐকমত্য বা ঐক্যবদ্ধ জীবন জান্নাতের পথকে সুগম করে।
৮. ঐকমত্য মানুষকে সফলতার দ্বার প্রান্তে পৌঁছে দেয়।
৯. ঐকমত্য না থাকলে মুসলিমদের সাহস ও শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
১০. মতভেদের ক্ষেত্রে বৃহত্তম দলের সাথে থাকতে হবে।
লেখক: অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক
Reporter Name 























