বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজয় মেলা ২০২৫

চান্দিনায় বর্ণিল আয়োজনে শুরু হলো দুই দিনব্যাপী বিজয় মেলা

মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের আনন্দকে আরও রাঙিয়ে তুলতে কুমিল্লার চান্দিনায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘বিজয় মেলা’। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য, দেশীয় সংস্কৃতি আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অপূর্ব মিলনমেলা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক। উদ্বোধন শেষে তিনি অতিথিদের নিয়ে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের খোঁজখবর নেন।

সরেজমিনে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা চত্বরজুড়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে মোট ১৫টি স্টল। প্রতিটি স্টলের নামফলকে ‘বিজয় মেলা’ লেখা থাকলেও ভেতরে রয়েছে পণ্যের ভিন্নতা। বইপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রকাশনার বই, আর ভোজনরসিকদের জন্য রয়েছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সমাহার। এছাড়া স্থানীয় কুটির শিল্প, বুটিক, হস্তশিল্প এবং চারু ও কারুপণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। মেলার প্রথম দিনেই দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ফয়সাল আল নূর, উপজেলা প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোরশেদ আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসারে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

See also  চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
জনপ্রিয়

বিজয় মেলা ২০২৫

চান্দিনায় বর্ণিল আয়োজনে শুরু হলো দুই দিনব্যাপী বিজয় মেলা

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৭:৫৮

মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের আনন্দকে আরও রাঙিয়ে তুলতে কুমিল্লার চান্দিনায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘বিজয় মেলা’। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য, দেশীয় সংস্কৃতি আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অপূর্ব মিলনমেলা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক। উদ্বোধন শেষে তিনি অতিথিদের নিয়ে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের খোঁজখবর নেন।

সরেজমিনে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা চত্বরজুড়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে মোট ১৫টি স্টল। প্রতিটি স্টলের নামফলকে ‘বিজয় মেলা’ লেখা থাকলেও ভেতরে রয়েছে পণ্যের ভিন্নতা। বইপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রকাশনার বই, আর ভোজনরসিকদের জন্য রয়েছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির সমাহার। এছাড়া স্থানীয় কুটির শিল্প, বুটিক, হস্তশিল্প এবং চারু ও কারুপণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। মেলার প্রথম দিনেই দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ফয়সাল আল নূর, উপজেলা প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোরশেদ আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসারে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

See also  আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি ইসির