বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে শিবিরের সাবেক তিন নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন ইনশাল্লাহ।

কুমিল্লার তিন আসনে শিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় সভাপতির লড়াই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার তিনটি সংসদীয় আসনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় সভাপতির একযোগে প্রার্থিতা। ১০ দলীয় জোটের ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা এই তিন নেতা নিজ নিজ এলাকায় জোরালো নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি ১৯৮৬-৮৭ এবং ১৯৮৭-৮৮ মেয়াদে পরপর দুইবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনী মাঠে তিনি বেশ সক্রিয় এবং ইতোমধ্যে একাধিক বড় জনসভা সম্পন্ন করেছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করায় এ আসনে তাকে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ কামরুল হুদা।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, “জনগণের ব্যাপক সাড়া আমরা পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এ নির্বাচনে আমাদের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হবে।”

অন্যদিকে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত। তিনি ২০১৭ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল গফুর ভূইঁয়ার মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিল হওয়ায় এই আসনে ইয়াছিন আরাফাতকে জয়ী হওয়ার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবেও পরিচিত।

কুমিল্লা-৫ (ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ড. মোবারক হোসাইন। তিনি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই ড. মোবারক হোসাইন নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং স্থানীয়ভাবে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আলমগীর সরকার বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় নেতা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নিজ নিজ এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন—ইনশাআল্লাহ।”

See also  বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চান্দিনার আহবায়ক কমিটি গঠন
জনপ্রিয়

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে শিবিরের সাবেক তিন নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন ইনশাল্লাহ।

কুমিল্লার তিন আসনে শিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় সভাপতির লড়াই

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:১২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার তিনটি সংসদীয় আসনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় সভাপতির একযোগে প্রার্থিতা। ১০ দলীয় জোটের ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা এই তিন নেতা নিজ নিজ এলাকায় জোরালো নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি ১৯৮৬-৮৭ এবং ১৯৮৭-৮৮ মেয়াদে পরপর দুইবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনী মাঠে তিনি বেশ সক্রিয় এবং ইতোমধ্যে একাধিক বড় জনসভা সম্পন্ন করেছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করায় এ আসনে তাকে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ কামরুল হুদা।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, “জনগণের ব্যাপক সাড়া আমরা পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এ নির্বাচনে আমাদের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হবে।”

অন্যদিকে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত। তিনি ২০১৭ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল গফুর ভূইঁয়ার মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিল হওয়ায় এই আসনে ইয়াছিন আরাফাতকে জয়ী হওয়ার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবেও পরিচিত।

কুমিল্লা-৫ (ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ড. মোবারক হোসাইন। তিনি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই ড. মোবারক হোসাইন নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং স্থানীয়ভাবে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আলমগীর সরকার বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিবিরের সাবেক তিন কেন্দ্রীয় নেতা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নিজ নিজ এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন—ইনশাআল্লাহ।”

See also  চান্দিনায় নৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার