রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন সুর, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রাণবন্ত সন্ধ্যা চান্দিনায় বিশেষ অভিযানে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ১৯৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৭৭ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হজযাত্রী কলকাতায় শেষ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক, মুখে কুলুপ দুই দেশের প্রতিনিধিদের চান্দিনায় শিক্ষার মানোন্নয়নে মননশীলতা চর্চা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবিদ্বারে ফেসবুকে ‘হা হা’ রিয়্যাক্টকে কেন্দ্র করে হামলা, কিশোর গ্যাংয়ের ৮ সদস্য কারাগারে চান্দিনা সহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৪ পয়েন্টে যানজটের শঙ্কা পল্লবীর আলোচিত শিশু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই, পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান্দিনায় বিনামূল্যে ধান কাটার যন্ত্র বিতরণ  চান্দিনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন

২৪ দিনে সাড়ে ২৮ হাজার কোটি টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা

ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে এসেছে ২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫১ কোটি ডলার বেশি।

প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে প্রায় ৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলার বা এক হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। যদি এ ধারা পুরো মাসজুড়ে বজায় থাকে, তবে নভেম্বরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল এক হাজার ৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থবছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

এর আগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরে মাসভিত্তিক আয় ছিল জুলাইয়ে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

See also  তারা মসজিদ ও গ্রাফিতি-২০২৪ নিয়ে প্রকাশিত হলো নতুন ৫ টাকার নোট

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো অর্থে প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর ওপর উৎসাহ বৃদ্ধি এবং এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

চান্দিনায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন সুর, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রাণবন্ত সন্ধ্যা

২৪ দিনে সাড়ে ২৮ হাজার কোটি টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা

২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০৯

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে এসেছে ২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৮ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫১ কোটি ডলার বেশি।

প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে প্রায় ৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলার বা এক হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। যদি এ ধারা পুরো মাসজুড়ে বজায় থাকে, তবে নভেম্বরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল এক হাজার ৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থবছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

এর আগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরে মাসভিত্তিক আয় ছিল জুলাইয়ে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

See also  তারা মসজিদ ও গ্রাফিতি-২০২৪ নিয়ে প্রকাশিত হলো নতুন ৫ টাকার নোট

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো অর্থে প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর ওপর উৎসাহ বৃদ্ধি এবং এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।