পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশের চার রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনারকেও দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে দ্রুত ঢাকায় এসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া রাষ্ট্রদূতরা হলেন—পর্তুগালে নিযুক্ত এম মাহফুজুল হক, পোল্যান্ডে নিযুক্ত মো. ময়নুল ইসলাম, মেক্সিকোতে নিযুক্ত এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী) এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত মো. নাজমুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে এম মাহফুজুল হক সাবেক সচিব। আর মো. ময়নুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ময়নুল ইসলামকে পোল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করা হয়।
মেক্সিকোতে দায়িত্ব পালন করা এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী) পেশায় একজন সাংবাদিক। দীর্ঘদিন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছেন। সে সময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন দমন-পীড়নের অভিযোগ নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের ব্রিফিংয়ে তুলে ধরতেন। গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে তাকে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে মো. নাজমুল ইসলাম একজন একাডেমিক। তিনি তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। পরবর্তীতে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে মালদ্বীপে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হয়।
এদিকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকেও প্রত্যাহার করা হয়েছে। পেশাদার কূটনীতিক আবিদা ইসলামকে গত বছরের জানুয়ারিতে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বহুল আলোচিত সাবেক হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রত্যাহার করা এসব কূটনীতিককে অতি দ্রুত ঢাকায় এসে মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 




















