Logo
প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ৫:৩৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৬, ২০২৬, ৬:২০ পি.এম

মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিল বিপিসি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে অতিরিক্ত ভিড় দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জ্বালানি তেল সরবরাহে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। শুক্রবার জারি করা এক জরুরি নির্দেশনায় বিপিসি জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য দৈনিক জ্বালানি সরবরাহের নির্দিষ্ট সীমা কার্যকর থাকবে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেট কারের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার জ্বালানি দেওয়া হবে। এছাড়া এসইউভি বা জিপ এবং মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে সীমা তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে। পিকআপ ও স্থানীয় বাসগুলো দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, জ্বালানি নেওয়ার সময় গ্রাহকদের আগের কেনা তেলের রসিদ দেখাতে হবে। রসিদ ছাড়া কোনো ফিলিং স্টেশন তেল বিক্রি করতে পারবে না। এর মাধ্যমে একই ব্যক্তি বারবার তেল সংগ্রহ করে মজুত করার প্রবণতা ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ...

Read More..
Copyright © 2026 চান্দিনা মেইল. All rights reserved.
প্রিন্ট করুন সেভ করুন