সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস

চান্দিনায় সরকারি সড়কের গাছ কাটল দুষ্কৃতকারীরা, প্রশাসনের উদাসীনতায় জনমনে ক্ষোভ

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের খিরাসার মোহনপুর থেকে এতবারপুর সড়কের পাশের সরকারি রেইন ট্রি গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়—সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চারটি রেইন ট্রির মধ্যে দুইটি ইতোমধ্যে কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং বাকি দুইটির ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে, যা যেকোনো সময় সম্পূর্ণভাবে কেটে নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খিরাসার মোহনপুর বড় বাড়ির প্রয়াত আব্বাস আলীর ছেলে খোরশেদ আলম ফকির বেশ কিছুদিন আগে গাছগুলো কাটেন। বহু বছর ধরে বেড়ে ওঠা এসব গাছ হঠাৎ করে কেটে নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও তারা জানান।

গত ২১ অক্টোবর ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। পরবর্তীতে উপজেলা বন বিভাগের পরিদর্শক মো. শাহজাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুইটি গাছ কাটা অবস্থায় দেখেন এবং বাকি গাছগুলো না কাটার নির্দেশ দেন। একই সময়ে চান্দিনা (পূর্ব) ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবু সাঈদও সেখানে যান। তবে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের পরও কেউই আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বরং অভিযোগকারীকে সার্ভেয়ার নিয়োগের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেন—যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ফকির দাবি করেন, “গাছগুলো আমি নিজেই লাগিয়েছি। এগুলো আমাদের ব্যক্তিগত জমির গাছ।”

এ বিষয়ে বন বিভাগের পরিদর্শক মো. শাহজাহান বলেন, “রাস্তা ও খালের মাঝামাঝি স্থানে গাছগুলো ছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি এগুলো নিজের জায়গার দাবি করায় ম্যাপ দেখে সঠিক পরিমাপের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ইউএনও স্যারকে অনুরোধ করেছি।

চান্দিনা (পূর্ব) ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, “উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তবে জমির সীমানা নির্ধারণে ম্যাপ ও খতিয়ান দেখে পরিমাপ করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সার্ভেয়ার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছেন।

See also  দেবিদ্বারে বিএনপির ২০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর বলেন, “গাছ কাটার বিষয়ে সরাসরি কোনো তথ্য আমার জানা নেই। সার্ভেয়ার গিয়ে পরিমাপ করবেন। যদি প্রমাণিত হয় যে গাছগুলো সরকারি, তাহলে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সম্পদ ধ্বংসের এ ঘটনায় প্রশাসনের দেরি ও উদাসীনতা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে।

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

চান্দিনায় সরকারি সড়কের গাছ কাটল দুষ্কৃতকারীরা, প্রশাসনের উদাসীনতায় জনমনে ক্ষোভ

১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১:৫৪

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের খিরাসার মোহনপুর থেকে এতবারপুর সড়কের পাশের সরকারি রেইন ট্রি গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়—সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চারটি রেইন ট্রির মধ্যে দুইটি ইতোমধ্যে কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং বাকি দুইটির ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে, যা যেকোনো সময় সম্পূর্ণভাবে কেটে নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খিরাসার মোহনপুর বড় বাড়ির প্রয়াত আব্বাস আলীর ছেলে খোরশেদ আলম ফকির বেশ কিছুদিন আগে গাছগুলো কাটেন। বহু বছর ধরে বেড়ে ওঠা এসব গাছ হঠাৎ করে কেটে নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও তারা জানান।

গত ২১ অক্টোবর ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। পরবর্তীতে উপজেলা বন বিভাগের পরিদর্শক মো. শাহজাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুইটি গাছ কাটা অবস্থায় দেখেন এবং বাকি গাছগুলো না কাটার নির্দেশ দেন। একই সময়ে চান্দিনা (পূর্ব) ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবু সাঈদও সেখানে যান। তবে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের পরও কেউই আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বরং অভিযোগকারীকে সার্ভেয়ার নিয়োগের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেন—যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ফকির দাবি করেন, “গাছগুলো আমি নিজেই লাগিয়েছি। এগুলো আমাদের ব্যক্তিগত জমির গাছ।”

এ বিষয়ে বন বিভাগের পরিদর্শক মো. শাহজাহান বলেন, “রাস্তা ও খালের মাঝামাঝি স্থানে গাছগুলো ছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি এগুলো নিজের জায়গার দাবি করায় ম্যাপ দেখে সঠিক পরিমাপের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ইউএনও স্যারকে অনুরোধ করেছি।

চান্দিনা (পূর্ব) ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, “উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তবে জমির সীমানা নির্ধারণে ম্যাপ ও খতিয়ান দেখে পরিমাপ করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সার্ভেয়ার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছেন।

See also  চান্দিনা সেবা সংস্থার বাড়েরা ইউনিয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর বলেন, “গাছ কাটার বিষয়ে সরাসরি কোনো তথ্য আমার জানা নেই। সার্ভেয়ার গিয়ে পরিমাপ করবেন। যদি প্রমাণিত হয় যে গাছগুলো সরকারি, তাহলে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সম্পদ ধ্বংসের এ ঘটনায় প্রশাসনের দেরি ও উদাসীনতা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে।