সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস

বিড়ালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করল নিউজিল্যান্ড সরকার

নিউজিল্যান্ড সরকার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা ঘোষণা দিয়েছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য ও মালিকহীন বিড়াল সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। গত শুক্রবার দেওয়া এই ঘোষণার মাধ্যমে বন্য বিড়ালকে যুক্ত করা হয়েছে নিউজিল্যান্ডের বহুল আলোচিত ‘প্রিডেটর-ফ্রি ২০৫০’ তালিকায়।

২০১৬ সালে চালু হওয়া এই উদ্যোগে জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ কিছু শিকারি প্রাণীকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। এবার প্রথমবারের মতো নতুন শিকারি হিসেবে যুক্ত হলো বন্য বিড়াল। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে বৃহৎ আকারে নির্মূল কর্মসূচি চালানো হবে। বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে।

বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের বনভূমি ও উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে প্রায় ২৫ লাখের বেশি বন্য বিড়াল বিচরণ করছে। দৈর্ঘ্যে এক মিটার পর্যন্ত এবং ওজনে সাত কেজি পর্যন্ত হতে পারে এসব বিড়াল। রাকিউরা স্টুয়ার্ট দ্বীপে তারা সাউদার্ন ডটারেল নামের বিরল পাখিকে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মাউন্ট রুয়াপেহু এলাকায় প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ বাদুড় শিকার করে, যা ওই প্রজাতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

সংরক্ষণমন্ত্রী পোতাকা বন্য বিড়ালকে আখ্যা দিয়েছেন ‘স্টোন-কোল্ড কিলার’ বা নির্দয় শিকারি হিসেবে। তাঁর মতে, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনভূমির সৌন্দর্য বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে এদের সরিয়ে ফেলতেই হবে।

বন্য বিড়াল নির্মূলের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলেছে। ২০১৩ সালে পরিবেশবিদ গ্যারেথ মরগান ‘ক্যাটস টু গো’ প্রচারণা শুরু করলে ব্যাপক সমালোচনা হয়। তবে এবার সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খসড়া কৌশল নিয়ে জনমতের ৯০ শতাংশই নির্মূলের পক্ষে মত দিয়েছে।

গৃহপালিত বিড়াল এ তালিকায় না থাকলেও সেগুলোও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালনের দিক থেকে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি।

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

বিড়ালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করল নিউজিল্যান্ড সরকার

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:১৫

নিউজিল্যান্ড সরকার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা ঘোষণা দিয়েছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য ও মালিকহীন বিড়াল সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। গত শুক্রবার দেওয়া এই ঘোষণার মাধ্যমে বন্য বিড়ালকে যুক্ত করা হয়েছে নিউজিল্যান্ডের বহুল আলোচিত ‘প্রিডেটর-ফ্রি ২০৫০’ তালিকায়।

২০১৬ সালে চালু হওয়া এই উদ্যোগে জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ কিছু শিকারি প্রাণীকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। এবার প্রথমবারের মতো নতুন শিকারি হিসেবে যুক্ত হলো বন্য বিড়াল। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে বৃহৎ আকারে নির্মূল কর্মসূচি চালানো হবে। বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে।

বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের বনভূমি ও উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে প্রায় ২৫ লাখের বেশি বন্য বিড়াল বিচরণ করছে। দৈর্ঘ্যে এক মিটার পর্যন্ত এবং ওজনে সাত কেজি পর্যন্ত হতে পারে এসব বিড়াল। রাকিউরা স্টুয়ার্ট দ্বীপে তারা সাউদার্ন ডটারেল নামের বিরল পাখিকে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মাউন্ট রুয়াপেহু এলাকায় প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ বাদুড় শিকার করে, যা ওই প্রজাতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

সংরক্ষণমন্ত্রী পোতাকা বন্য বিড়ালকে আখ্যা দিয়েছেন ‘স্টোন-কোল্ড কিলার’ বা নির্দয় শিকারি হিসেবে। তাঁর মতে, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনভূমির সৌন্দর্য বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে এদের সরিয়ে ফেলতেই হবে।

বন্য বিড়াল নির্মূলের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলেছে। ২০১৩ সালে পরিবেশবিদ গ্যারেথ মরগান ‘ক্যাটস টু গো’ প্রচারণা শুরু করলে ব্যাপক সমালোচনা হয়। তবে এবার সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খসড়া কৌশল নিয়ে জনমতের ৯০ শতাংশই নির্মূলের পক্ষে মত দিয়েছে।

গৃহপালিত বিড়াল এ তালিকায় না থাকলেও সেগুলোও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালনের দিক থেকে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি।