সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস
১ মাসের মধ্যে করতে হবে আপিল

হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল। বুধবার প্রকাশিত এ রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

এর আগে গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। একই মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তি দেওয়ার কারণে সর্বোচ্চ সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দ্বিতীয় অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। একইসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধেও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে মামুন সত্য উন্মোচনে সহযোগিতা করায় তার সাজা হ্রাস করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটাই প্রথম রায়। রায় ঘোষণার সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বড় পর্দায়ও বিচার কার্যক্রম দেখানো হয়।

বর্তমানে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

See also  ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
Tag :

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

১ মাসের মধ্যে করতে হবে আপিল

হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ৭:১০

জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল। বুধবার প্রকাশিত এ রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

এর আগে গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। একই মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তি দেওয়ার কারণে সর্বোচ্চ সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দ্বিতীয় অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। একইসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধেও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে মামুন সত্য উন্মোচনে সহযোগিতা করায় তার সাজা হ্রাস করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটাই প্রথম রায়। রায় ঘোষণার সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বড় পর্দায়ও বিচার কার্যক্রম দেখানো হয়।

বর্তমানে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

See also  বাংলাদেশের কারণে কাঁদছে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা