চান্দিনা উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের পিপুইয়া এলাকায় ফসলি জমিতে ড্রেজিং করে মাটি উত্তোলন ও তা দিয়ে পুকুর ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ক্ষমতাধর একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে এ অবৈধ কার্যক্রম চালালেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ড্রেজার স্থাপনের সুবিধার্থে সরকারি কাঁচা সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশ কেটে ফেলা এবং সড়কের ওপর বাঁধ নির্মাণ করায় অন্তত পাঁচটি গ্রামের মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ইলিয়টগঞ্জ–বড়াইয়া–কৃষ্ণপুর পাকা সড়ক থেকে পিপুইয়া হয়ে বিনোদমুড়ি পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ কাঁচা রাস্তার আব্দুল বারেক মিয়ার বাড়ির সামনে প্রায় একশ ফুটজুড়ে ৩ ফুট উঁচু ও ৩ ফুট চওড়া মাটির বাঁধ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের মাঝখান কেটে ড্রেজারের পানি সরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে রিকশা, সাইকেল এমনকি পায়ে হাঁটা পর্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আওয়াল ও মো. জামালসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, এই সড়ক দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করে। তারা বলেন, “সরকারি নিয়মে পুকুর ভরাটে ড্রেজারের মাটি ব্যবহার নিষিদ্ধ, ফসলি জমি কাটা নিষিদ্ধ এবং সরকারি রাস্তা কাটা সম্পূর্ণ অপরাধ। কিন্তু এখানে তিনটি কাজই হচ্ছে প্রকাশ্যে। স্থানীয়দের দাবি, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত মো. শরীফ মিয়া তাঁর ব্যক্তিগত পুকুর ভরাটের জন্য ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফসলি জমি কেটে মাটি তুলছেন। আর কাজটির ১৫ লাখ টাকার চুক্তি নিয়েছেন যুবদল নেতা ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল বাশার,...