সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস
নাইজেরিয়ায় শুধু খ্রিস্টানই নয়— মুসলিম, অমুসলিম, সংশয়বাদী- সবাই সহিংসতার শিকার হচ্ছে

খ্রিস্টান হত্যা’র অভিযোগে নাইজেরিয়ায় হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর চলমান সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি জানান, নাইজেরিয়া সরকার যদি ‘খ্রিস্টান হত্যা’ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাতে পারে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি প্রতিরক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছি সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে। যদি আমরা আঘাত হানি, তা হবে দ্রুত ও নির্মম— ঠিক যেমন ওই সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রিয় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চালায়। সতর্কবার্তা: নাইজেরিয়া সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে!”

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে নাইজেরিয়ার প্রতি সকল সহায়তা বন্ধ করবে যদি দেশটি ‘খ্রিস্টান হত্যার অনুমতি’ দিয়ে যায়। তার ভাষায়, “যারা এসব ভয়াবহ নৃশংসতা চালাচ্ছে সেই ইসলামপন্থী সন্ত্রাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করতে আমরা হয়তো এখনই সেই কলঙ্কিত দেশে অস্ত্র হাতে প্রবেশ করতে পারি।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর নাইজেরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না এলেও, দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবু এক বিবৃতিতে বলেন, “নাইজেরিয়াকে ধর্মীয় অসহিষ্ণু দেশ হিসেবে চিত্রায়ণ বাস্তবতার প্রতিফলন নয়। আমাদের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে যাব, যাতে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে।”

নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কিমিয়েবি এবিয়েনফাও বলেন, “আমরা সব নাগরিককে সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তা তাদের ধর্ম বা জাতি যাই হোক না কেন। বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তি।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ডানপন্থী রাজনীতিবিদ ও খ্রিস্টান সংগঠনের চাপ রয়েছে, যারা নাইজেরিয়ায় চলমান সহিংসতাকে ‘খ্রিস্টান গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এসব সহিংসতা মূলত জাতিগত, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে ঘটছে— ধর্মীয় নয়।

ওয়াশিংটনভিত্তিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স-এর আফ্রিকা বিষয়ক সিনিয়র ফেলো এবেনেজার ওবাদারে বলেন, “নাইজেরিয়া সরকারের নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া দুর্বল, এটা সত্যি। কিন্তু সেখানে শুধু খ্রিস্টানই নয়— মুসলিম, অমুসলিম, সংশয়বাদী— সবাই সহিংসতার শিকার হচ্ছে।”

See also  শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

তিনি সতর্ক করে বলেন, “নাইজেরিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন সম্পূর্ণ বিপরীত ফল বয়ে আনবে। বরং এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নাইজেরিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা।”

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

নাইজেরিয়ায় শুধু খ্রিস্টানই নয়— মুসলিম, অমুসলিম, সংশয়বাদী- সবাই সহিংসতার শিকার হচ্ছে

খ্রিস্টান হত্যা’র অভিযোগে নাইজেরিয়ায় হামলার হুমকি ট্রাম্পের

২ নভেম্বর ২০২৫, ৫:১৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর চলমান সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি জানান, নাইজেরিয়া সরকার যদি ‘খ্রিস্টান হত্যা’ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাতে পারে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি প্রতিরক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছি সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে। যদি আমরা আঘাত হানি, তা হবে দ্রুত ও নির্মম— ঠিক যেমন ওই সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রিয় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চালায়। সতর্কবার্তা: নাইজেরিয়া সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে!”

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে নাইজেরিয়ার প্রতি সকল সহায়তা বন্ধ করবে যদি দেশটি ‘খ্রিস্টান হত্যার অনুমতি’ দিয়ে যায়। তার ভাষায়, “যারা এসব ভয়াবহ নৃশংসতা চালাচ্ছে সেই ইসলামপন্থী সন্ত্রাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করতে আমরা হয়তো এখনই সেই কলঙ্কিত দেশে অস্ত্র হাতে প্রবেশ করতে পারি।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর নাইজেরিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না এলেও, দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবু এক বিবৃতিতে বলেন, “নাইজেরিয়াকে ধর্মীয় অসহিষ্ণু দেশ হিসেবে চিত্রায়ণ বাস্তবতার প্রতিফলন নয়। আমাদের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে যাব, যাতে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে।”

নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কিমিয়েবি এবিয়েনফাও বলেন, “আমরা সব নাগরিককে সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তা তাদের ধর্ম বা জাতি যাই হোক না কেন। বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তি।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ডানপন্থী রাজনীতিবিদ ও খ্রিস্টান সংগঠনের চাপ রয়েছে, যারা নাইজেরিয়ায় চলমান সহিংসতাকে ‘খ্রিস্টান গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এসব সহিংসতা মূলত জাতিগত, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে ঘটছে— ধর্মীয় নয়।

ওয়াশিংটনভিত্তিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স-এর আফ্রিকা বিষয়ক সিনিয়র ফেলো এবেনেজার ওবাদারে বলেন, “নাইজেরিয়া সরকারের নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া দুর্বল, এটা সত্যি। কিন্তু সেখানে শুধু খ্রিস্টানই নয়— মুসলিম, অমুসলিম, সংশয়বাদী— সবাই সহিংসতার শিকার হচ্ছে।”

See also  আবারও পেছাল বিপিএল

তিনি সতর্ক করে বলেন, “নাইজেরিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন সম্পূর্ণ বিপরীত ফল বয়ে আনবে। বরং এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নাইজেরিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা।”

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।