সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস

চান্দিনার লক্ষ্মীপুর বাজারে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে উধাও

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় প্রায় ৪ কোটিরও বেশি টাকা ও গচ্ছিত স্বর্ণ নিয়ে এক জুয়েলার্স মালিকের পলাতক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১০ দিন ধরে তার দোকান ও বাড়ি বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জোয়াগ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে অবস্থিত পর্শীয়া জুয়েলার্সে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পর্শীয়া জুয়েলার্সের মালিক নারায়ণ কর্মকার (ডাকনাম প্রদীপ) দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ওই বাজারে ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে ওঠায় তিনি গচ্ছিত স্বর্ণ ও সমিতির টাকা আত্মসাৎ করে ভারত পালানোর চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

কৈলাইন গ্রামের ছফিউল্লাহর ছেলে শরীফ বলেন, “আমি জিম্মাদার হয়ে তাকে ৪ লাখ টাকা ঋণ তুলে দিয়েছিলাম। পাশাপাশি স্ত্রীর ২ ভরি স্বর্ণ ও দৈনিক ৬০০ টাকা করে সমিতির জমা ছিলো। দুই বছরে ১২ লাখ টাকার মতো তিনি নিয়েছেন। এখন দোকান বন্ধ রেখে পালিয়েছেন।

সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পর্শীয়া জুয়েলার্স বন্ধ এবং দোকানের সাটার-কলাপসিবলে তালা ঝুলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১০ দিন ধরে ব্যবসায়ী নারায়ণ কর্মকার গা-ঢাকা দিয়ে আছেন। বাড়িতেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গোকর্ণঘাট এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বরুণ সাহা জানান, “আমরা মোট ৫১ জন দৈনিক সমিতির সদস্য ছিলাম। বৈশাখ থেকে সমিতি শুরু হয়ে চৈত্র মাসে টাকা ফেরত দিতো। আমার ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সে নিয়েছে। সবার টাকা নিয়েই সে উধাও হয়েছে।

অন্য আরেক ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের ৩ লাখ ৩০ হাজার, আবুল হোসেনের ৩ লাখ ৫০ হাজার, এরশাদ আলীর ৫ লাখ, বেলাল গাজীর ১ লাখ ৪২ হাজারসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি স্বর্ণ ও টাকা হারিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নারায়ণ কর্মকারের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

See also  বাংলাদেশের কারণে কাঁদছে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, “এ পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগীরা দ্রুত অভিযুক্ত নারায়ণ কর্মকারকে আটক করে তাদের আমানতের টাকা-স্বর্ণ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

চান্দিনার লক্ষ্মীপুর বাজারে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে উধাও

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ৭:২১

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় প্রায় ৪ কোটিরও বেশি টাকা ও গচ্ছিত স্বর্ণ নিয়ে এক জুয়েলার্স মালিকের পলাতক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১০ দিন ধরে তার দোকান ও বাড়ি বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জোয়াগ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে অবস্থিত পর্শীয়া জুয়েলার্সে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পর্শীয়া জুয়েলার্সের মালিক নারায়ণ কর্মকার (ডাকনাম প্রদীপ) দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ওই বাজারে ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে ওঠায় তিনি গচ্ছিত স্বর্ণ ও সমিতির টাকা আত্মসাৎ করে ভারত পালানোর চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

কৈলাইন গ্রামের ছফিউল্লাহর ছেলে শরীফ বলেন, “আমি জিম্মাদার হয়ে তাকে ৪ লাখ টাকা ঋণ তুলে দিয়েছিলাম। পাশাপাশি স্ত্রীর ২ ভরি স্বর্ণ ও দৈনিক ৬০০ টাকা করে সমিতির জমা ছিলো। দুই বছরে ১২ লাখ টাকার মতো তিনি নিয়েছেন। এখন দোকান বন্ধ রেখে পালিয়েছেন।

সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পর্শীয়া জুয়েলার্স বন্ধ এবং দোকানের সাটার-কলাপসিবলে তালা ঝুলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১০ দিন ধরে ব্যবসায়ী নারায়ণ কর্মকার গা-ঢাকা দিয়ে আছেন। বাড়িতেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গোকর্ণঘাট এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বরুণ সাহা জানান, “আমরা মোট ৫১ জন দৈনিক সমিতির সদস্য ছিলাম। বৈশাখ থেকে সমিতি শুরু হয়ে চৈত্র মাসে টাকা ফেরত দিতো। আমার ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা সে নিয়েছে। সবার টাকা নিয়েই সে উধাও হয়েছে।

অন্য আরেক ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের ৩ লাখ ৩০ হাজার, আবুল হোসেনের ৩ লাখ ৫০ হাজার, এরশাদ আলীর ৫ লাখ, বেলাল গাজীর ১ লাখ ৪২ হাজারসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি স্বর্ণ ও টাকা হারিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নারায়ণ কর্মকারের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

See also  কুমিল্লার নতুন এসপি আনিসুজ্জামান

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, “এ পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগীরা দ্রুত অভিযুক্ত নারায়ণ কর্মকারকে আটক করে তাদের আমানতের টাকা-স্বর্ণ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।