শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর প্রাথমিক শিক্ষা সেই মেরুদণ্ডের মূল ভিত্তি। একটি জাতি তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কী ধরনের নৈতিক ভিত্তির ওপর গড়ে তুলবে, তার ওপরই নির্ভর করে তার উন্নয়ন ও অগ্রগতি। বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও এখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মীয় শিক্ষা সবসময় উপেক্ষিত ও অবহেলিতই থেকে গেছে। যে কারণে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক থাকলেও তা পড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে কোথাও কোথাও ইসলাম ধর্মের শিক্ষা দেন অন্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষক। ইসলাম শিক্ষার কী শোচনীয় অবস্থা! বিগত সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গান-বাজনা ও শরীরচর্চার শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিলেন। দেশের শিশু-কিশোরদের কচিপ্রাণে ইসলামের শিক্ষা না দিয়ে একটি ধর্মহীন জাতি গড়ার দিকে ধাবিত হচ্ছিল বিগত সরকার। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাদের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি উপেক্ষিতই থাকছে যা শুধু দুঃখজনকই নয়, উদ্বেগেরও। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একেবারে শিশু শ্রেণি থেকে ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার দাবি ওঠে। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়। সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়। কিন্তু প্রাথমিকে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনায় দেখা যায়, সেখানে ধর্মীয় শিক্ষকের কোনো অপশন না রেখে; বরং তার পরিবর্তে সেখানে সঙ্গীত (নৃত্য-গান-বাজনা) এবং শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আমাদের দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। এদেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ অত্যন্ত...