অনলাইন ডেস্ক: ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান সামাল দিতে না পারলে মার্শাল ল জারি করানোর পরিকল্পনা ছিল শেখ হাসিনার। তিনি প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা দেওয়ার কথাবার্তা চূড়ান্ত করে রেখেছিলেন। মার্শাল ল জারি করানোর এ বিষয়টি শেখ হাসিনার অতিঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানতেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ রেহানা ও সালমান এফ রহমান। গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে শেখ রেহানা ও সালমান এফ রহমানের মধ্যে টেলিফোনে যে কথোপকথন হয়, সেখানে মার্শাল ল জারি করার বিষয়টি প্রকাশ পায়। আমার দেশ-এর ধারাবাহিক অনুসন্ধানে রেহানা-সালমানের সর্বশেষ টেলিফোন সংলাপ থেকে বিষয়টি জানা যায়। সেই টেলিফোন সংলাপ আমাদের হাতে এসেছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী সামরিক সচিব (এএমএসপিএম) কর্নেল রাজীব শেখ রেহানাকে সালমানের সঙ্গে ফোনে ধরিয়ে দেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে শেখ রেহানার কাছে সালমান এফ রহমান জানতে চান, ‘ও কী বলে (সেনাপ্রধান)? মার্শাল ল ডিক্লেয়ার করছে না কেন? অর্থাৎ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রয়োজনবোধে মার্শাল ল জারি নিয়ে কথাবার্তা হয়েছিল। কথোপকথনে শেখ রেহানা সালমানকে এ কথাও জানান যে, তার ছেলে ববি ও মেয়ে টিউলিপ ‘কনভিন্স’ করেছে; অর্থাৎ তিনি সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যেতে রাজি করানো সম্ভব হয়েছে। কথোপকথনে শেখ রেহানা সালমান এফ রহমানকে তার ছেলে সায়ান ও শেখ হাসিনার ছেলে জয় যে কথা বলেছেÑসেটা করার অনুরোধ করেন। শেখ রেহানা সালমানকে দ্রুত সরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সালমান তার সঙ্গে তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হককেও নিতে...