সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার ঢাকাস্থ চান্দিনা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম আনছে গুগল, পিসিতেই মিলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত প্রায় ৬০০, নিখোঁজ শতাধিক দেবিদ্বারে গাঁজাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক কুমিল্লা ফুডপান্ডায় নিয়োগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াও আবেদনের সুযোগ বুড়িচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’ এখনও ‘শঙ্কামুক্ত নন’ বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে লাল গালিচার ব্যবহার কীভাবে এলো? জানুন এর ইতিহাস

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রতিবাদে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, নিহত ১৪

  • Reporter Name
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:১০
  • 17

অনলাইন ডেস্ক:

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত এবং সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ বিক্ষোভ। সোমবার সকাল থেকে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন শতাধিক।

২৬টি প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা, ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে জনতা প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি নেতৃত্বাধীন সরকার সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ মোট ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের ঘোষণা দেয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে।

সহিংস দমন-পন্থা: টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, জলকামান বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে। বানেশ্বর এলাকায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতা দেখা যায়। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ জনে।

হাসপাতালগুলোতে আহতদের ঢল ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক ডা. দীপেন্দ্র পাণ্ডে জানান, সাতজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের মাথা ও বুকে গুলির আঘাত রয়েছে। এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী জানান, সেখানে তিনজন মারা গেছেন এবং ৫০ জনের বেশি আহত চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। সিভিল হাসপাতালে দুইজন, কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে বিক্ষোভকারী মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তরুণদের শান্তির আহ্বান একজন তরুণ বিক্ষোভকারী বলেন, “ভেতর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে। তবে আমরা ইতোমধ্যে জয়ী হয়েছি।”

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দুর্নীতি দমনের দাবি বিক্ষোভকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

নিহতদের পরিচয় এখনও অজানা নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে দাবি আদায়ের আহ্বান জানাচ্ছেন, যদিও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট, এএফপি।

চান্দিনায় চুরির জেরে রাজনৈতিক দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চিলোড়া বাজার

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রতিবাদে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, নিহত ১৪

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:১০

অনলাইন ডেস্ক:

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত এবং সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ বিক্ষোভ। সোমবার সকাল থেকে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন শতাধিক।

২৬টি প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা, ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে জনতা প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি নেতৃত্বাধীন সরকার সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ মোট ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের ঘোষণা দেয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে।

সহিংস দমন-পন্থা: টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, জলকামান বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে। বানেশ্বর এলাকায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতা দেখা যায়। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ জনে।

হাসপাতালগুলোতে আহতদের ঢল ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক ডা. দীপেন্দ্র পাণ্ডে জানান, সাতজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের মাথা ও বুকে গুলির আঘাত রয়েছে। এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী জানান, সেখানে তিনজন মারা গেছেন এবং ৫০ জনের বেশি আহত চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। সিভিল হাসপাতালে দুইজন, কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে বিক্ষোভকারী মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তরুণদের শান্তির আহ্বান একজন তরুণ বিক্ষোভকারী বলেন, “ভেতর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে। তবে আমরা ইতোমধ্যে জয়ী হয়েছি।”

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দুর্নীতি দমনের দাবি বিক্ষোভকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

নিহতদের পরিচয় এখনও অজানা নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে দাবি আদায়ের আহ্বান জানাচ্ছেন, যদিও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট, এএফপি।