Logo
প্রিন্ট এর তারিখঃ ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ৫:৩৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ৮:৫৩ পি.এম

আধুনিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রের রূপকার হযরত মুহাম্মদ (সা:)

রাষ্ট্র হলো মানবসমাজ পরিচালনার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ইতিহাসে বিভিন্ন শাসক ও দার্শনিক রাষ্ট্র গঠনের নানা মডেল প্রস্তাব করেছেন। তবে এসব মডেলের অধিকাংশই বৈষম্য, শোষণ, স্বৈরতন্ত্র ও বর্ণবাদে পরিপূর্ণ ছিল। প্রায় ১৫০০ বছর আগে মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ মদীনা নগরীতে যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা মানবসভ্যতার ইতিহাসে সর্বপ্রথম আধুনিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রের মডেল। এই রাষ্ট্রে সমতা, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সামাজিক কল্যাণ ও অর্থনৈতিক ন্যায়বন্টন নিশ্চিত করা হয়েছিল। ফলে বলা যায়, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-ই আধুনিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপকার। ☞ কুরআনের আলোকে রাষ্ট্রীয় নীতি: কুরআন শরীফ শুধু ইবাদতের বিধান নয়, রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার মূলনীতিও দিয়েছে। ১. ন্যায়বিচার : “যখন মানুষের মধ্যে বিচার করবে তখন ন্যায়বিচার করবে।” (সূরা আন-নিসা: ৫৮) ২. সমতা : “নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা হুজুরাত: ১০) ৩. ধর্মীয় স্বাধীনতা : “ধর্মের বিষয়ে কোন জবরদস্তি নেই।” (সূরা বাকারা: ২৫৬) ৪. শাসনের যোগ্যতা : “আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে খলিফা করবেন যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে।” (সূরা নূর: ৫৫) এসব আয়াত রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়, সমতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণকে ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ☞ সুন্নাহর আলোকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা:  রাসূল ﷺ হাদীসের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি ঘোষণা করেছেন। “তোমাদের প্রত্যেকেই নেতা এবং প্রত্যেকেই তার অধীনদের ব্যাপারে জবাবদিহি করবে।” (বুখারী, মুসলিম) “মানুষ আল্লাহর পরিবার; আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে কল্যাণকামী।” (বায়হাকী) বিদায়ী হজ্বের ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন—“কোনো...

Read More..
Copyright © 2025 চান্দিনা মেইল. All rights reserved.
প্রিন্ট করুন সেভ করুন